একটি সত্যিকারের ভিজা বিড়ালের অভিনয় করে যখন ধরা পড়লাম, তখন নিজেকে একটা পান্তোয়া গোত্রের ঘাটের মড়া মনে হলো। যে পেটের পীড়ায় ভুগে কুরে কুরে মরে গেছে, কোনো একদিন ভাত না খাওয়া সকালে।
বউ দৈনিকি রুটি দিত তারে, ভালো কোনো সালুন ছাড়াই , খালি গুড়া আলু ভাজি দিয়্যা।
খাইতে খাইতে এবং না খাইতে চাইতে চাইতে তিতিবিরক্ত হইয়্যা প্যাটের পীড়ায় ভুগা ধরল সে।
তার মনে হইলো, পিথিবী অন্ধকার হইয়্যা যাইতাছে
নইতো সে নিজেই আন্ধা হইয়্যা যাইতাছে।
এই দুইডার কুনোডাই যখন সঠিক বইল্যা মনে হইল না, তখন কী সঠিক হবে সেইড্যাও না ভাইব্যা পাইয়্যা এক দুচ্ছাই গোত্রের হশাতা তাকে বেদম পীড়ন দিল।
যেহেতু ওই এলাকায় কুনো চিনা হেন্দু নাই, তাই কিরন মাসীর কাছে উপোশী হিসাবে গিয়াও কোনো ফয়দা লাভের আয়োজনও ছিল নাই।
তাই কোনো গত্যন্তর না দেখে, নিজেকে ঝামেলা হিসাবে ট্রিট নিয়্যা ঘাটে খাড়ানো ইষৎ তাজা লুকটাই ঘণ্টাখানি পর ঘাটের মড়ায় পরিণত হল। কী এক সর্বনাশা অত্যাচারের ইতিহাস! পাতিহাসও যার জন্য কাঁদে না। রাজহাস কীভাবে? কী কারণেই বা কাঁদবে অনিশ্চিত কুনো ভিজা বিড়ালের দুঃখ অবলম্বনে? তাই নিরেট ভিজা বিড়াল এক ক্যারেট বেদনা নিয়্যা ঘাটের মড়া সাজতে ঘাটে গেল।
কিন্তু ঘাটে এক দঙ্গল আধ নেন্টা মেয়েদের স্থানকৃত্য দেখে ঘাটের মড়া সাজা হলো না তার। আর তখনই সে একটা সত্যিকারের ভিজা বিড়াল হিসাবে ধরা খেল ঘাটের আধ ন্যান্টা মেয়েদের কাছে। উহ কী ভীষণ সব্বোনাশ!
২৬ মার্চ ২০০৭
তারি সঙ্গে কী মৃদঙ্গে সদা বাজে
vor 10 Jahren

Keine Kommentare:
Kommentar veröffentlichen