Mittwoch, 3. September 2008

হাহ পটেমেকাস নদী

হাহ ! পটেমেকাস নদী
দাও তো তোমার ডান হাতটা
খাই বেদনার জল
ফল মূল কাঁচা লঙ্কার ঝাল
মাতাল মাতাল লাগলে
বেরিয়ে যাবো বন থেকে
হয়তো কোনো দূরস্থানে
নিশিযাপনের দিশা জানা নাই
মনে নেই আর কারো কথা
শুধু পটেমেকাস নদী আমার
একলা চলার ব্যথা।

১২ ডিসেম্বর ২০০৬

নাইট এন্ড ফাইট উরা ধুরা চটপটি হাউস

দীর্ঘ লম্ফে অনেক দূর যাওয়া যায় হয়তো
বহুদূর অসম্ভব। লাফ ঝাপ ধাপ কিংবা ট্রিপল জাম্পেরও কাম বাজে নাই। কাম বাজে নাই উড়ুপেলেন কিংবা ঘুড়ার আগে গাড়ি জুড়ে
তাই ফালতু সময় নষ্টেরই বা কি দরকার?
বরং আসো, ঝাল দিয়্যা জামাই বউ চানাচুর খাই
তাতেও যুদি না বোঝো পিথিবীর কত ঝাল
তাইলে আসো, সংসদ ভবনের স্যামকের দিকে
নাইট এন্ড ফাইট উরাধুরা চটপটি হাউসে যাই
10 ট্যাকা দিয়্যা হাফ পেলেট চটপটি নিজেকে খিলাই
তারপর ঝালে ঝোলে পাগল হয়ে বিস্তর লালা ফেলে
শুশিয়ে শাসিয়ে ফের বাটি ফিরে যাই
পিথিবীর নম্র ভুদাই ।

৯ ডিসেম্বর ২০০৬

নীলকান্ত মণি

তবুওনীলকান্ত মণির গল্প শুনি
শুনি বিড়ালের থাবা নিঃশব্দে এগিয়ে যায়
মাছের কাঁটাভিমুখে...কাটা কলাগাছ ফাটাফাটি নাচে,
হেলেদুলে নাচে আর ঘাস খায়
গ্র্যাস খায় আর ফাটাফাটি নাচে
কেটে যায় যৌবন, কেচে যায় মৌবন
মরচেপরা অংশটুকু শুধু ঝুরঝুরে লাগে
তবু হিম্মত কার
ফালতু বকার?
ডাইনোশুয়োর কিংবা অবহেলিত খাসি
বাসি ঘাসপাতা চিবিয়ে হামাগুড়ি
খায় জীবিকার যৌবন চুষে
মিশিমার মৌবন শুষে
হেসে গড়াগড়ি খায় পাত্রে অপাত্রে
বিষে নীল , নীলকান্তমণি
তার গল্প এখনো শুনি।

২৭ নভেম্বর ২০০৬

আমি তুমার আমু দরিয়া খেয়ে নবো

আমি তুমার আমুদরিয়া খেয়ে নবো
সাংহাই টাইপের চুমু হয়তো এঁকে দবো শিরদরিয়ায়
তবু ডানকি ডগ কিংবা বিংবল পাথরে যৌবন ফুটাবার ধান্দা করবো না, আনবো না জাঞ্জিবার থেকে উড়িয়ে কোনো বিকলাঙ্গ কোনো ঘুড়া
জানি পিথিবীর সকল পিযুশ নন্দীই ফুটবল খেলে
গর্ত করে খেলে বেলে দোয়াষের মাটিতে
খাটিতে খাটিতে যখন হয়রান হয়ে যায় তখনো রাইরম বাইরায় না হয়তো কোনো আধা চ্যাকলা ভুতুমের।
তবু হুতুম পেঁচা গুতুম গুতুম চালিয়ে যায় বিকলাঙ্গ ঘুড়া।
জানি, পিথিবীর সকল পিযুশ নন্দী ফুটবল হয়তো খেলে না, চলে না পাখি কিংবা ময়ুরের পালক পরে
তবু কেন জানি মুনে হয় পিতিবীর সকল পিযুশ নন্দী বিংবল পাতরের মূর্তি চোদে না, খেলে না কুনো ফুটবল খেলা বেলে দোয়াষের মাটিতে।

৯ নভেম্বর ২০০৬

বিড়াল আর বনবিড়ালির ধাওয়া খেয়ে

নিরীহ বাঘ কিংবা বুড়ো বিড়ালের কাছে আমি পিছু হটি
হাঁটি পুরনো খানাখন্দে ভর্তিপ্রেমিকাদের বাড়ির রাস্তায়
যদিও রিস্কি এইসব শট খেলা, তারপরও খোলাখুলি বলি
আমার চরিত্রের ওইসব দোষ আজও গেল না
হে পিতামহ, নিহত পিতৃব্য ডাইনোশুয়োরদের মেলায়
ঘাস আর বিচালিতে ঠাঁসা, ডাঁশা পেয়ারার বুক নিয়ে হেঁটে যায় মেয়েরা, আমিও হাঁটি বুক তদারকিতে পিছু পিছু
ভালো লাগে না, তবুভালো লাগাই হাঁটি আর হেঁটে যাওয়া দেখায়
পৃথুলা রমণীর নিতম্বের রমণ পেট ভরে খাওয়ার ইচ্ছা প্রতি মুহূর্তে হেঁটে হেঁটে মারি
হে ডাইনোশুয়োর পাপিষ্ঠ ধমনী
বিউগলের চুমুতে সুর বাজে অবিরত, মিঠাই আর মণ্ডা খাওয়ার ঝাল মেটাই নিয়ত অন্ধকারে
ভাগীরথীর তীরে ভগ্নমনোরথে
তাল তমালের বনঘেরা জঙ্গলে
চিরিক চিরিক করে মুতি
মুতি আর পিছু হটি
বিড়াল আর বনবিড়ালির ধাওয়া খেয়ে

২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬

বিড়াল আর বনবিড়ালির ধাওয়া খেয়ে

নিরীহ বাঘ কিংবা বুড়ো বিড়ালের কাছে আমি পিছু হটি
হাঁটি পুরনো খানাখন্দে ভর্তিপ্রেমিকাদের বাড়ির রাস্তায়
যদিও রিস্কি এইসব শট খেলা, তারপরও খোলাখুলি বলি
আমার চরিত্রের ওইসব দোষ আজও গেল না
হে পিতামহ, নিহত পিতৃব্য ডাইনোশুয়োরদের মেলায়
ঘাস আর বিচালিতে ঠাঁসা, ডাঁশা পেয়ারার বুক নিয়ে হেঁটে যায় মেয়েরা, আমিও হাঁটি বুক তদারকিতে পিছু পিছু
ভালো লাগে না, তবুভালো লাগাই হাঁটি আর হেঁটে যাওয়া দেখায়
পৃথুলা রমণীর নিতম্বের রমণ পেট ভরে খাওয়ার ইচ্ছা প্রতি মুহূর্তে হেঁটে হেঁটে মারি
হে ডাইনোশুয়োর পাপিষ্ঠ ধমনী
বিউগলের চুমুতে সুর বাজে অবিরত, মিঠাই আর মণ্ডা খাওয়ার ঝাল মেটাই নিয়ত অন্ধকারে
ভাগীরথীর তীরে ভগ্নমনোরথে
তাল তমালের বনঘেরা জঙ্গলে
চিরিক চিরিক করে মুতি
মুতি আর পিছু হটি
বিড়াল আর বনবিড়ালির ধাওয়া খেয়ে

২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬

সব শ্যালকপুত্রই গেছে মরে

প্রজাপতি সিন থেকে বিবর্ণ জি্বন
সব শালাই গেছে মরে
ভাংচুরেও আজ আনন্দ নাই , খালি প্যাটের ভিতর বেদনা কুহু কুহু ডাকে
পালতোলা ঘুড়া কিংবা বালতোলা ভেড়া
সব ছেড়ে দেই শুধু হাম্বা ব্যতিরেকে
নিহত ডাইনোশুয়োর কিংবা টোনাটুনির বীর্যপতন
মিশিমার বিড়ালখানিকে অযথাই ডাকে,
আয় আয় আয়, খেলাখেলি খাই।
মিশিমার বেড়াল, উড়াল দেওয়ার যাতনায়
থিরথির করে কাঁপে, পাছার কাপড় তোলে হিশহিশিয়ে হিশি করে আর থিরথির করে কাঁপে, কাঁদে উড়ে যাবার যাতনায়
হে বিনীত মানুষ, পীতরাজ বৃক্ষের গোটা
যৌবনে জান বাজি রেখে লড়ে যাও,
গন্তব্য অজানা।।
তাই বিছানা ছেড়ে লাফিয়ে উঠে
সিলিং ফ্যানের ইঞ্চি সাতেক নীচে
মাথা গিয়ে পৌঁছায়,
ও বাবাগো বলে বিছানায় পড়ে গিয়ে মাথা বাঁচাই।
পৃথিবীতে আজ ভাংচুরেও আনন্দ নাই, তাই
শুধু চুদাচুদির মহোত্তম পাপে নিজেকে জড়াই।
জড়িয়ে মুড়িয়ে ঘন সব পাপ খেয়ে নিজেতে শুধাই
সব শ্যালকপুত্রই কি আমার মতো গেছে মরে?

১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৬